Print
PDF
Mar
31

মডেল-অভিনেতা অলির আত্মহত্যা নিয়ে বিভ্রান্তি

Author // Swapno

‘লাইফবয়’ খ্যাত মডেল ও অভিনেতা মইনুল হক অলির আত্মহত্যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। আত্মহত্যার সময় জলন্ত সিগারেটের আগুন থেকে তার পরিহিত পোশাকে আগুন লাগে। কাপড় পোড়ার গন্ধ বাসায় ছড়িয়ে গেলে পরিবারের সদস্যরা অলির রুম গিয়ে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।অন্যদিকে ময়না তদন্তে আগুনে দগ্ধ হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নি।তবে তার পায়ে একটা পোড়া দাগ আছে।এটি অনেক আগের পোড়া দাগ।মডেল ও অভিনেতা মইনুল হক অলি গত ২৭ মার্চ মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানীর রমনা থানার পশ্চিম মালিবাগের ৬০ নম্বর বাসার নিচতলায় নিজকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।বুধবার সকাল ১০টায় রমনা থানার এসআই নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন। তবে অলির আত্মহত্যা ঘিরে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও রহস্য।কারণ, তার পরিবারের সদস্যদের একেকজন অলির আত্মহত্যা নিয়ে একেকরকম কথা বলছেন।অলির বড় ভাই মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে হঠাৎ পোড়া গন্ধে অলির মা-বাবা তার ঘরে ছুটে যান। সেখানেই তারা অলির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।এরপর ভোরে লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।পারিবারিক আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, অলির মৃতদেহ আগুনে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কিন্তু ময়না তদন্তে আগুনে দগ্ধ হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নি।ময়নাতদন্তে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।ময়নাতদন্তের পর ২৮ মার্চ বুধবার দুপুরে মইনুল হক অলির মরদেহ মালিবাগের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে সিদ্ধেশ্বরী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় তার প্রথম জানাজা। সেখান থেকে অলির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে।সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে গভীর রাতে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।